0

কার্টে কোনো বই নেই

product image page image
↑ একটু পড়ে দেখুন
আবদুল মালিক ইবনু মারওয়ান (হার্ডকভার)
(0 review)
Wishlist

Wishlist

৳৩৪০ ৳৪৭০ ২৮% ছাড়!
  • ৭ দিনের রিটার্ন পলিসি
  • ক্যাশ অন ডেলিভারি এভেইলেবল
  • স্টক:২০টি কপি স্টকে আছে
ISBN 9789849671282
পৃষ্ঠা সংখ্যা 344
সংস্করণ 2022
দেশ বাংলাদেশ
ভাষা বাংলা
বিবরণ খিলাফতে রাশিদার পর অনেক বছর ধরে বৃহত্তর ইসলামি সাম্রাজ্যের নেতৃত্ব দিয়েছেন বনু উমাইয়ার শাসকরা। বক্ষ্যমাণ গ্রন্থটি ‘উমাইয়া খিলাফতের ইতিহাস’ সিরিজের তৃতীয় খণ্ড। এই খণ্ডে আবদুল মালিক ইবনু মারওয়ানের পরিচিতি, তাঁর পিতা মারওয়ানের ইনতিকালের পর উমাইয়া নেতৃত্ব কীভাবে তাঁর হাতে সুসংহত হয়েছিল, আবদুল্লাহ ইবনু জুবায়েরের সঙ্গে তাঁর সংঘাত, রাজ্যের অভ্যন্তরীণ রাজনীতির ভিত কীভাবে তাঁর নিপুণ দক্ষতায় সুদৃঢ় ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল, সংঘাত-মোকাবিলায় তাঁর সামরিক কৌশল ও প্রতিরক্ষা-বিন্যাস কেমন ছিল ইত্যাদি আলোচনা করা হয়েছে। এ ছাড়া বিভিন্ন যুদ্ধ, যুদ্ধে বিজয়, খারিজিসহ নানা বিদ্রোহ দমনের বিস্তারিত আলোচনা স্থান পেয়েছে।তাঁর আমলের রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ বিভাগসমূহ, শাসনব্যবস্থায় আরবিকরণ এবং প্রাদেশিক অঞ্চল পরিচালনায় তাঁর কূটনৈতিক দক্ষতা সম্পর্কে করা হয়েছে বিশদ আলোচনা। বলতে গেলে বাদ যায়নি তাঁর জীবন ও শাসনের কোনো দিকই।আঁকা হয়েছে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রী হাজ্জাজ ইবনু ইউসুফসহ কয়েকজনের জীবনচিত্র। তাঁর ও তাঁর দুই ছেলে ওয়ালিদ ও সুলায়মানের আমলে সংঘটিত ইসলামি বিজয়াভিযানগুলোর আলোচনাও আছে এতে। আছে তাঁর আমলের পৃথিবীখ্যাত সেনাপতি তারিক ইবনু জিয়াদের স্পেন বিজয় এবং মুহাম্মাদ ইবনু কাসিমের সিন্ধু বিজয়ের উপখ্যান।
লেখকের নাম ড. আলি মুহাম্মাদ সাল্লাবি
পরিচিতি ফকিহ, রাজনীতিক ও বিশ্বখ্যাত ইতিহাসগবেষক। ইসলামের ইতিহাসের উপর বিশ্লেষণধর্মী তাত্ত্বিক গ্রন্থ রচনা করে দুনিয়াজোড়া খ্যাতি অর্জন করেছেন। এই মহা মনীষী ১৯৬৩ সনে লিবিয়ার বেনগাজি শহরে জন্মগ্রহণ করেন। প্রাথমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পড়াশোনা বেনগাজিতেই করেন। যৌবনের প্রারম্ভেই গাদ্দাফির প্রহসনের শিকার হয়ে শায়খ সাল্লাবি আট বছর বন্দি থাকেন। মুক্তি পাওয়ার পর উচ্চ শিক্ষার জন্য তিনি সাউদি আরব চলে যান। মদিনা বিশ্ববিদ্যালয়ের দাওয়া ও উসুলুদ্দিন বিভাগ থেকে ১৯৯৩ সনে অনার্স সম্পন্ন করেন। তারপর চলে যান সুদানের উম্মু দুরমান বিশ্ববিদ্যালয়ে। সেখানে উসুলুদ্দিন অনুষদের তাফসির ও উলুমুল কুরআন বিভাগ থেকে ১৯৯৬ সনে মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জন করেন। সেই বিশ্ববিদ্যালয় থেকেই ১৯৯৯ সনে ডক্টরেট ডিগ্রি অর্জন করেন। তাঁর গবেষণার বিষয় ছিল ‘ফিকহুত তামকিন ফিল কুরআনিল কারিম’। ড. আলি সাল্লাবির রাজনৈতিক দীক্ষাগুরু বিশ্বখ্যাত ফকিহ ও রাজনীতিক ড. ইউসুফ আল কারজাবি। কারজাবির সান্নিধ্য অর্জনে তিনি ১৯৯৯ খ্রিষ্টাব্দে কাতার গমন করেন। নতুন ধারায় সিরাত ও ইসলামি ইতিহাসের তাত্ত্বিক গ্রন্থ রচনা করে ড. আলি সাল্লাবি অনুসন্ধিৎসু পাঠকের আস্থা ও জনপ্রিয়তা অর্জন করেন। নবিজির পুর্ণাঙ্গ সিরাত, খুলাফায়ে রাশিদিনের জীবনী, উমাইয়া খিলাফত, আব্বাসি খিলাফত, উসমানি খিলাফতের উত্থান-পতনসহ ইসলামি ইতিহাসের সাড়ে তেরোশ বছরের ইতিহাস তিনি রচনা করেছেন। তা ছাড়া ইসলামি ইতিহাসে বিশেষ খ্যাতি অর্জন করা ব্যক্তিদের নিয়ে তিনি আলাদা আলাদা গ্রন্থ রচনা করেছেন। ড. আলি মুহাম্মাদ সাল্লাবির রচনা শুধু ইতিহাসের গতানুগতিক ধারাবর্ণনা নয়; তাঁর রচনায় রয়েছে বিশুদ্ধতার প্রামাণিক গ্রহণযোগ্যতা, জটিল-কঠিন বিষয়ের সাবলীল উপস্থাপনা ও ইতিহাসের আঁকবাঁকের সঙ্গে সমকালীন অবস্থার তুলনীয় শিক্ষা। এই মহা মনীষী সিরাত, ইতিহাস, ফিকহ ও উলুমুল কুরআনের উপর আশির অধিক গ্রন্থ রচনা করেছেন। তাঁর রচনাবলি ইংরেজি, তুর্কি, ফরাসি, উর্দু ও বাংলা ভাষায় অনূদিত হয়ে পৃথিবীর জ্ঞানগবেষকদের হাতে হাতে পৌঁছে যাচ্ছে। আল্লাহ তাঁকে দীর্ঘ, নিরাপদ ও সুস্থ জীবন দান করুন। আমিন। —সালমান মোহাম্মদ লেখক, অনুবাদক ও সম্পাদক ২৪ মার্চ ২০২০