0

কার্টে কোনো বই নেই

product image page image
↑ একটু পড়ে দেখুন
উমাইয়া খিলাফতের পতন ও আব্বাসিদের উত্থান (হার্ডকভার)
(0 review)
Wishlist

Wishlist

৳৩৭০ ৳৫০০ ২৬% ছাড়!
  • ৭ দিনের রিটার্ন পলিসি
  • ক্যাশ অন ডেলিভারি এভেইলেবল
  • স্টক:২০টি কপি স্টকে আছে
ISBN 9789849671275
পৃষ্ঠা সংখ্যা 338
সংস্করণ 2022
দেশ বাংলাদেশ
ভাষা বাংলা
বিবরণ এটি ‘উমাইয়া খিলাফতের ইতিহাস’ সিরিজের শেষ খণ্ড। গ্রন্থটিতে ইয়াজিদ ইবনু আবদুল মালিক, হিশাম ইবনু আবদুল মালিক, ওয়ালিদ ইবনু ইয়াজিদ, ইয়াজিদ ইবনু ওয়ালিদ ও ইবরাহিম ইবনু ওয়ালিদের শাসনকালের আলোচনা স্থান পেয়েছে। হিশাম ইবনু আবদুল মালিকের মৃত্যুতে উমাইয়া খিলাফত দুর্বল হয়ে পড়াকে পতনের সূচনা হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে। তুলে ধরা হয়েছে আব্বাসি দাওয়াতের গোড়ার কথা, অনুসারীদের জন্য তাদের গৃহীত প্রকাশ্য ও গোপনীয় কর্মসূচির বিবরণ। তাদের নেতৃত্বের কথা। তাদের সাংগঠনিক কাঠামো ও পরিকল্পনা নির্ধারণের কৌশলের কথা। আবদুল্লাহ ইবনু আব্বাসের বিপ্লবদর্শনে তাদের অনুপ্রাণিত হওয়া এবং আব্বাসি বিপ্লবের প্রকাশ্য ঘোষণার কাল ও প্রেক্ষাপট; সবই বর্ণনা করা হয়েছে।তুলে ধরা হয়েছে উমাইয়া শেষ খলিফা মারওয়ান ইবনু মুহাম্মাদের শাসনকালের চিত্র। তাঁর শাসনামলে ফুঁসে ওঠা বিদ্রোহ দমনে তাঁর প্রয়াসের কথা। এ ছাড়া উমাইয়া খিলাফতের পতনের কারণসমূহ, সমাজবিপ্লব ও সাম্রাজ্যের উত্থান-পতনের ক্ষেত্রে মহান আল্লাহর নীতিমালার আলোকে এসবের বিশ্লেষণ করা হয়েছে।গ্রন্থের শেষভাগে ইসলামের প্রাথমিক যুগের ইতিহাস বিকৃত করা গ্রন্থাবলির ব্যাপারে একটি সমীক্ষা তুলে ধরা হয়েছে। পাশাপাশি প্রাচ্যবিদদের ব্যাপারেও সতর্ক করা হয়েছে, যারা কৌশলে ইসলামি ইতিহাসকে কলুষিত করার চেষ্টা করেছে।
লেখকের নাম ড. আলি মুহাম্মাদ সাল্লাবি
পরিচিতি ফকিহ, রাজনীতিক ও বিশ্বখ্যাত ইতিহাসগবেষক। ইসলামের ইতিহাসের উপর বিশ্লেষণধর্মী তাত্ত্বিক গ্রন্থ রচনা করে দুনিয়াজোড়া খ্যাতি অর্জন করেছেন। এই মহা মনীষী ১৯৬৩ সনে লিবিয়ার বেনগাজি শহরে জন্মগ্রহণ করেন। প্রাথমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পড়াশোনা বেনগাজিতেই করেন। যৌবনের প্রারম্ভেই গাদ্দাফির প্রহসনের শিকার হয়ে শায়খ সাল্লাবি আট বছর বন্দি থাকেন। মুক্তি পাওয়ার পর উচ্চ শিক্ষার জন্য তিনি সাউদি আরব চলে যান। মদিনা বিশ্ববিদ্যালয়ের দাওয়া ও উসুলুদ্দিন বিভাগ থেকে ১৯৯৩ সনে অনার্স সম্পন্ন করেন। তারপর চলে যান সুদানের উম্মু দুরমান বিশ্ববিদ্যালয়ে। সেখানে উসুলুদ্দিন অনুষদের তাফসির ও উলুমুল কুরআন বিভাগ থেকে ১৯৯৬ সনে মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জন করেন। সেই বিশ্ববিদ্যালয় থেকেই ১৯৯৯ সনে ডক্টরেট ডিগ্রি অর্জন করেন। তাঁর গবেষণার বিষয় ছিল ‘ফিকহুত তামকিন ফিল কুরআনিল কারিম’। ড. আলি সাল্লাবির রাজনৈতিক দীক্ষাগুরু বিশ্বখ্যাত ফকিহ ও রাজনীতিক ড. ইউসুফ আল কারজাবি। কারজাবির সান্নিধ্য অর্জনে তিনি ১৯৯৯ খ্রিষ্টাব্দে কাতার গমন করেন। নতুন ধারায় সিরাত ও ইসলামি ইতিহাসের তাত্ত্বিক গ্রন্থ রচনা করে ড. আলি সাল্লাবি অনুসন্ধিৎসু পাঠকের আস্থা ও জনপ্রিয়তা অর্জন করেন। নবিজির পুর্ণাঙ্গ সিরাত, খুলাফায়ে রাশিদিনের জীবনী, উমাইয়া খিলাফত, আব্বাসি খিলাফত, উসমানি খিলাফতের উত্থান-পতনসহ ইসলামি ইতিহাসের সাড়ে তেরোশ বছরের ইতিহাস তিনি রচনা করেছেন। তা ছাড়া ইসলামি ইতিহাসে বিশেষ খ্যাতি অর্জন করা ব্যক্তিদের নিয়ে তিনি আলাদা আলাদা গ্রন্থ রচনা করেছেন। ড. আলি মুহাম্মাদ সাল্লাবির রচনা শুধু ইতিহাসের গতানুগতিক ধারাবর্ণনা নয়; তাঁর রচনায় রয়েছে বিশুদ্ধতার প্রামাণিক গ্রহণযোগ্যতা, জটিল-কঠিন বিষয়ের সাবলীল উপস্থাপনা ও ইতিহাসের আঁকবাঁকের সঙ্গে সমকালীন অবস্থার তুলনীয় শিক্ষা। এই মহা মনীষী সিরাত, ইতিহাস, ফিকহ ও উলুমুল কুরআনের উপর আশির অধিক গ্রন্থ রচনা করেছেন। তাঁর রচনাবলি ইংরেজি, তুর্কি, ফরাসি, উর্দু ও বাংলা ভাষায় অনূদিত হয়ে পৃথিবীর জ্ঞানগবেষকদের হাতে হাতে পৌঁছে যাচ্ছে। আল্লাহ তাঁকে দীর্ঘ, নিরাপদ ও সুস্থ জীবন দান করুন। আমিন। —সালমান মোহাম্মদ লেখক, অনুবাদক ও সম্পাদক ২৪ মার্চ ২০২০